দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে এসেই দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ ও ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব এবং ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ও দুই দেশ একসঙ্গে সমাধান করবে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ও তার সহধর্মিণী মৃনাল ত্রিবেদী। সড়কপথে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
বাংলাদেশে প্রবেশের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি। তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই, তা সব একসঙ্গে হবে। আলাদাভাবে ভাবছি না। দেখছেন না আমি হেঁটে চলে আসছি। একই আকাশ একই বাতাস একই। আমরা মিলেমিশে ভিসার সমাধান করব। শুধু অভিন্ন সীমান্ত নয়, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
হাইকমিশনার হিসেবে নিজের অগ্রাধিকারের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা-তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
এ সময় বেনাপোল-পেট্রাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবনকুমার তুলসি দাস এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল অফিসার আরিফ মাহমুদ।
কেএম